২৭ক
(বলরামবাবুকে লিখিত)

রামকৃষ্ণজয়তি

গাজীপুর
৬।২।৯০

পূজ্যপাদেষু —

পওহারী বাবার সহিত আলাপ — অতি আশ্চর্য মহাত্মা! বিনয় ভক্তি এবং যোগমুর্তি। আচারী বৈষ্ণব কিন্তু দ্বেষবুদ্ধি রহিত। মহাপ্রভুতে বড় ভক্তি। পরমহংস মহাশয়কে বলেন, “এক অবতার যে”। আমাকে বড় ভালোবাসিয়াছেন। তাঁহার অনুরোধে কিছুদিন এ স্থানে আছি। ইনি ২।৬ মাস একাক্রমে সমাধিস্থ থাকেন। বাঙ্গলা পড়িতে পারেন। পরমহংস মশায়ের photograph রাখিয়াছেন। সাক্ষাৎ এখন হয়না। দ্বারের আড়াল থেকে কথা কহেন। এমন মিষ্ট কথা কখনও শুনি নাই। আরও অনেক কথা ইহার সম্বন্ধে, এখন বলিব না। ইহার জন্য একখানি চৈতন্যভাগবত পত্রপাঠ যেথায় পাও পাঠাইবে। গগনচন্দ্র রায়, আফিং ডিপার্টমেন্ট গাজীপুর — এই ঠিকানায় পাঠাইবেন। ইহাতে অন্যথা না হয়। ইনি তোমাদের একজন ideal বৈষ্ণব। খুব পন্ডিত কিন্তু ধরিবার যো নেই। এরও একজন হৃদে (অর্থাত বড় ভাই) কাছে আছে — সেও বাটীতে ঢুকিতে পায় না। তবে হৃদের মত ... নহে। চৈতন্যমঙ্গল যদি ছাপা হইয়া থাকে তাহাও পাঠাইও। ইনি গ্রহণ করিলে তোমার পরম ভাগ্য জানিবে। ইনি কাহারও কিছু লয়েন না। কি খান, কি করেন, কেহই জানে না। আমি এস্থানে আছি কাহাকেও বলিও না, ও আমাকেও কাহারও খবর দিবে না। আমি বড় কাজে বড় ব্যস্ত —

দাস
নরেন্দ্র