৩২ক
(বলরাম বসুকে লিখিত)

রামকৃষ্ণজয়তি

গাজীপুর
ফেব্রুআরি,১৮৯০

পূজ্যপাদেষু,

... ... ... কোন ব্যক্তি আমাকে এক পত্র লিখিয়াছেন। তাহাতে নাম নাই। উক্ত মহাত্মা কে জানিতে পারিলাম না। ইনি দর্শনযোগ্য বটেন। যিনি পওহারী বাবার ন্যায় মহাপুরুষকে গো-ক্ষুর জল বিবেচনা করেন এবং পৃথিবীতে যাঁহার শিক্ষা করিবার ও কিছু নাই এবং শিক্ষা করা অতি অপমান বিবেচনা করেন, এবং প্রকার নূতন পুরুষাবতার দর্শনযোগ্য বটেন। ভরসা করি গভর্ণমেন্ট জানিতে পারিলে তাঁহাকে অতি সমাদরে আলিপুরের উদ্যানে (পশুপতিনাথের বাগানে) স্থান দিবেন। তাঁহাকে আমাকে আশীর্বাদ করিতে বলিবেন, যেন কুকুর শৃগাল পর্যন্ত আমার গুরু হয় এই প্রকার মহাপুরুষের কা কথা। আর এক্ষণে শিখিবার সকলই আছে — আমার গুরু বলিতেন যে যতকাল বাঁচি ততকাল শিখি — তাঁহাকে বলবেন যে আমি দুর্ভাগ্য, “সাত সমুদ্র তের নদী” অথবা লঙ্কা ডিঙ্গাইয়া নাকে তেল দিয়া ঘুমাইবার অধিকার আমার কোথায়?

দাস
নরেন্দ্র

P.S. গোলাপ জল ঈশানবাবুর বাটী হইতে দেরী হইলে আনাইয়া লইবেন। ফুল এখনও ফোটে নাই। ঈশান বাবুর বাটীতে জল পাঠান গেল।


কলিকাতা ডাকঘরের ছাপ ২০.২.৯০
কলিকাতা মেছুয়াবাজার কীর্তি সিনেমার সম্মুখে।